উত্তরদিনাজপুর

মাধ্যমিক পরীক্ষা দিতে যাওয়ার পথে মায়ের ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার, খুন করে ঝুলিয়ে দেওয়ার অভিযোগ পরিবারের

মাধ্যমিক পরীক্ষার্থীর মাকে খুন করে ঝুলিয়ে দেওয়ার অভিযোগ। ঘটনাটি ঘটেছে উত্তর দিনাজপুর জেলার রায়গঞ্জ থানার লোহুজগ্রাম এলাকার। মায়ের মৃতদেহ উদ্ধারের খবর পেয়ে আর পরীক্ষা দিতে যেতে পারলো না মৃতার মেয়ে তথা মাধ্যমিক পরীক্ষার্থী ববিতা দাস।

        জানা যায়, মৃত মহিলার নাম পদ্মরানী দাস(৩৫)। বাড়ী উত্তর দিনাজপুর জেলার রায়গঞ্জ থানার লোহুজগ্রামে। মৃতার মেয়ে তথা মাধ্যমিক পরীক্ষার্থী ববিতা দাস জানায়, প্রায় এক বছরের বেশী সময় ধরে তার বাবা নিখোঁজ। মাঝে মাঝে পারিবারিক অশান্তির কারণে অনেক লাঞ্চনা সহ্য করতে হত তার মা পদ্মরানী দেবীকে। সোমবার এই রকমই এক অশান্তি নিয়ে স্বপন দাস নামের এক প্রতিবেশী অনেক রাত অবধি ঘরে বসে তার মায়ের সাথে কথা বলছিল। বিষয়টা অপছন্দ হওয়ায় জেগেই ছিল ববিতা। এরপর রাতে লোডশেডিং হয়ে যাওয়ায় ঘুমিয়ে পড়ে সে। গভীর রাতে ঘুম ভাঙলে মাকে আর বিছানায় দেখতে পায়নি ওই ছাত্রী। সকালে মায়ের সন্ধানে এলাকায় খোজ খবরও করে ববিতা। কিন্তু মাকে না পেয়ে পরীক্ষা দেবার উদ্দ্যেশ্যে যায় সে। পরীক্ষা জন্য যাওয়ার পথেই ববিতা মায়ের মৃত্যুর খবর পায়। ছুটে যায় সে। বাড়ি থেকে ৩০০ মিটার দূরে একটু নির্জন এলাকায় গলায় ফাঁস লাগানো অবস্থায়  ঝুলতে দেখা যায়। পরে পুলিশ এসে মৃতদেহটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তে পাঠায়।

        এই ঘটনায় মাধ্যমিক পরীক্ষার্থী ববিতার অভিযোগ, কেউ তার মাকে খুন করে ঝুলিয়ে দিয়েছে। ঘটনার প্রকৃত তদন্ত হোক এমন দাবী জানায় সে।

        এবিষয়ে স্থানীয় এলাকাবাসী বৈদ্যনাথ দাস জানান, মৃতদেহটির হাটু মাটিতে লেগে ছিল, যত মাটি লেগেছিল শরীরের নিচের অংশে তা দেখে তাদের অভিযোগ পদ্মরানীর মৃত্যুর স্বাভাবিক নয়। এই ঘটনার কারণে মৃতের মেয়ে ববিতার এবছরের মাধ্যমিক পরীক্ষা নষ্ট হল বলে তিনি মনে করেন।

বিস্তারিত জানতে ক্লিক করুন নিচের লিংকে
https://www.youtube.com/embed/jOOVq9PJI4g